Friday , November 15 2019
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home / ক্রিকেট / বিধ্বংসী স্মিথের সামনে উড়ে গেল পাকিস্তান

বিধ্বংসী স্মিথের সামনে উড়ে গেল পাকিস্তান

সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের ব্যাটিং নৈপুণ্যে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ৮০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির জন্য শাস্তি কাটিয়ে ফেরা স্মিথ।

খুব স্বাভাবিকভাবেই তার হাতেই উঠেছে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।  এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অজিরা। সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল।

ক্যানবেরাতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। ৫ ওভারে ২৯ রান উঠতেই ২ ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে ফিরেন। ওপেনার ফখর জামান ২ ও তিন নম্বরে নামা হারিস সোহেল ৬ রান করে আউট হন। এই নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে দুই অংকের কোটা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হলেন ফখর। শুরুর ধাক্কা সামাল দেয়া চেষ্টা করেন অধিনায়ক বাবর আজম। এক প্রান্ত আগলে রানের চাকা ঘুড়িয়েছেন তিনি।

চার নম্বরে নামা উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান সঙ্গ দিয়েছেন তাকে। ১০ম ওভারের পঞ্চম বলে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাস্টন আগারের বলে ১৬ বলে ১৪ রান করা রিজওয়ান ফিরলে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান।

জুটিতে ২৯ বলে ৩৩ রান করেন বাবর-রিজওয়ান। পাঁচ নম্বরে ব্যাট হাতে নামা আসিফ আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৪ রান করে আগারের দ্বিতীয় শিকার হন তিনি।  ৭০ রানে ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান। এরপর আবারো শক্তপোক্ত জুটি গড়ার চেষ্টা করেন বাবর। এবার তার সঙ্গী হন ইফতেখার আহমেদ। দুজনের জুটিতে একশর কোটাও পেরিয়ে যায় পাকিস্তান।  বাবর তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১২তম হাফ-সেঞ্চুরি। রান-আউট হবার আগে ৩৮ বলে ৬ চারে  নিজের ইনিংস গড়েন তিনি। পরিত্যক্ত হওয়া প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অপরাজিত ৫৯ রান করেছিলেন বাবর।

১৬তম ওভারে দলীয় ১০৬ রানে বাবর ফিরে গেলেও, ইফতেখারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াই করার পুঁজি পেয়ে যায় পাকিস্তান। ইফতেখারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৫০ রান। মাত্র ৩৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৩ ওভার বাউন্ডারিতে ৬২ রানে অপরাজিত থাকেন ইফতেখার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে ২৩ রানে ২ উইকেট নেন আগার।

জয়ের জন্য ১৫১ রানের জবাবে উড়ন্ত সূচনা করেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ৩ ওভারে ৩০ রান তুলে ফেলেন তারা। ১১ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২০ রানে আটকে যান ওয়ার্নার। এরপর প্যাভিলিয়নে ফিরেন ফিঞ্চও। ১৪ বলে ৩ চারে ১৭ রান করেন তিনি। দলীয় ৪৮ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় অস্ট্রেলিয়া। এই অবস্থায় বড় জুটির স্বপ্ন দেখছিল অজিরা। অস্ট্রেলিয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন স্মিথ ও বেন ম্যাকডরমট। তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে দ্রুত রানের চাকা ঘুড়ানোর চেষ্টা করেছেন স্মিথ। ১২তম ওভারেই শতরানে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। জয়ের জন্য তখন ৪৮ বলে ৫০ রান দরকার পড়ে অজিদের।

১৩তম ওভারের শেষ বলে বিদায় নেন ২১ বলে ২১ রান করা ম্যাকডরমট। আর তৃতীয় উইকেটে ৪৪ বলে ৫৮ রান যোগ করেন স্মিথ-ম্যাকডরমেট। এরপর ক্রিজে স্মিথের সঙ্গী হন অ্যাস্টন টার্নার। তাকে নিয়ে ৩৬ বলে ৩৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন স্মিথ। হাফসেঞ্চুরির পর একই ওভারের শেষ চার বলে আরও তিনটি বাউন্ডারি মেরে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ সহজ করে দেন তিনি। স্মিথের ৫১ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় ৮০ রানের পাশাপাশি ১৫ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন টার্নার। পাকিস্তানের ইরফান-ওয়াসিম-আমির ১টি করে উইকেট নেন।

Facebook Comments

Check Also

আগারওয়াল-রাহানে জুটিতে বড় লিডের পথে ভারত

ইন্দোর হলকায় টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে আগারওয়াল-রাহানে জুটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় লিড নিচ্ছে …